Notice :
  1. সবাইকে স্বাগতম ইসলামিক স্টরি বিডি ডটকম এ

করোনা ভাইরাস


বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম


কোরোনা ভাইরাস।ইসলাম কি বলে।আল্লাহ বলেন জলে ও স্থলে যেসব বিপর্যয় ঘটেছে তা মানুষের কর্মফল। আল কোরআন বর্তমান আলোকে যত বিপর্যয়ের নাম করোনা ভাইরাস। পুরো বিশ্বকে চমকে দিয়েছে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাই আক্রান্ত হচ্ছে।

সব যুগেই মহামারী ছিল ইসলামের প্রাথমিক যুগে ও মহামারী আল্লাহর গজব পরীক্ষা সবই হতে পারে। বিপর্যয় ফাসেক কাফের মুসলিম সবার উপরে আসতে পারে। তাই কারো আক্রান্তে উল্লাসিত হওয়ার কিছুই নেই।

হাদীসে বর্ণিত আছেঃ-

সাহাবাগণ প্রাচীন এক জনপদ যেটা আল্লাহর গজবে ধ্বংস হয়েছিল। তা অতিক্রম করার সময় মুখ ঢেকে নিয়েছিলেন আল্লাহর ভয়। মহামারী বা সংক্রামক গজবে শহীদ হয়েছিলেন বহু সাহাবী। যা হাদিসের কিতাব সমূহে বিশদভাবে বর্ণিত আছে।

দুনিয়াতে সকল জিনিসই ক্ষণস্থায়ী করোনা ভাইরাসও ইনশাআল্লাহ স্থায়ী হবে না তাই আল্লাহর এ পরীক্ষা হতে বাঁচতে হলে কুরআন ও হাদিসের দেখানো পথে চলতে হবে।

১/ বেশি বেশি ইস্তেগফারের আমল করতে হবে।

২ অশ্লীল ও গুনাহ থেকে বেঁচে থাকতে হবে। কেননা হাদীসে বর্ণিত আছে যখন অস্থিরতা ব্যাপকহারে বেড়ে যাবে তখন আল্লাহ এমন রোগ দিবেন যা পূর্ববর্তী মানুষদের মধ্যে ছিল না।

৩/ নামাজ দান খায়রাত ও ধৈর্য্যর সাথে আল্লাহর নিকট সাহায্য চাইতে হবে।

৪/ আক্রান্ত এলাকায় থাকলে তা হতে বাহির হওয়া যাবে না এবং অন্য এলাকা হতে সেখানে প্রবেশও করা যাবে না।

৫/ অসুস্থ হলে কোয়ারেন্টাইনে থাকা এটাও হাদিসের ভাষ্য
৬/ যথাসম্ভব অসুস্থদের সেবা করতে হবে।

৭/সুন্নত অনুযায়ী সর্বাবস্থায় পরিচ্ছন্নতার সাথে থাকতে হবে।

৮/সবাইকে আল্লাহমুখী হতে হবে।

 

 

 

যেকোনো মহামারী রোগ থেকে বাচার দোয়া


আল্লাহুম্মা ইন্নি আউযুবিকা মিনাল বারাছ,ওয়াল জুনুন,ওয়াল জুযাম,ওয়ামিন সাইয়্যিল আসকাম

অর্থঃ-
হে আল্লাহ অবশ্যই আমি তোমার নিকট ধবল,মস্তিষ্ক বিকৃতি, কুষ্ঠ রোগ এবং সকল প্রকার দুরারোগ্য ব্যাধি থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করছি।——-

[আবু দাউদঃ১৫৫৪]

আরো পড়ুন

নবীকন্যা হযরত ফাতেমা রা. সম্পর্কে একটি কিসসা লোকমুখে প্রসিদ্ধ আছে। এছাড়াও সেদিন হকারদের মাধ্যমে সমাজে ছড়ানো ‘হযরত ফাতেমা (রাযি:)এর জীবনী’ নামের একটি চটি বইয়েও কিসসাটি দেখতে পেলাম-

একবার নবীজী (সাল্লাল্লাহু তা’আলা আলাইহি ওয়া সাল্লাম)একাধারে দুই দিন না খেয়ে কাটানোর পর তৃতীয় দিন প্রচ- ক্ষুধার্ত অবস্থায় কন্যা ফাতেমার বাড়িতে গেলেন। নবীজীর চেহারা দেখেই ফাতেমা (রাযি:) বুঝলেন- নবীজী অনেক ক্ষুধার্ত। কিন্তু তার কিছুই করার ছিল না।

কারণ, নিজেরাও আজ তিন দিন থেকে উপবাস কাটাচ্ছেন। নবীজীও আদরের কন্যার চেহারায় অনাহারের ছাপ দেখতে পেলেন। মনে মনে কষ্ট পেলেন, কিন্তু কিছু বললেন না। কন্যাকে ধৈর্যের উপদেশ দিয়ে গৃহ ত্যাগ করলেন।

নিজ পিতা নবীজীকে কিছু না খাওয়াতে পেরে ফাতেমা (রাযি:)ও খুব কষ্ট পেলেন। তখন ফাতেমা (রাযি:) দু’হাত তুলে আল্লাহর কাছে দুআ করলেন। কান্নাভেজা কণ্ঠে আল্লাহর কাছে ফরিয়াদ জানালেন- আল্লাহ্! তুমি আমাকে যে অবস্থায় রাখ তাতেই আমি খুশি; কিন্তু আমার পিতা আমার বাড়ি থেকে না খেয়ে যাবেন- এটা আামার জন্য বড় দুঃখের বিষয়। চোখের পানি ছেড়ে কাঁদতে থাকলেন।

একপর্যায়ে হঠাৎ দেখতে পেলেন এক অপরিচিত লোক এসে রুটি এবং পাকানো গোশত রেখে চলে গেলেন। নবীকন্যা দুআ শেষে এ খাদ্যসামগ্রী দেখে খুবই খুশি হলেন। পুত্র হাসানকে পাঠালেন- নানাকে ডেকে আনার জন্য। নবীজী উপস্থিত হলেন।

ফাতেমা (রাযি:) নবীজীর সামনে অপরিচিত লোকের দেওয়া খাবার পেশ করলেন। নবীজী তখন জিজ্ঞেস করলেন, এ খাবার কোথা থেকে এল। ফাতেমা (রাযি:) বললেন, যেখান থেকে হযরত ঈসা (আ’লাইহিস সালাম) এর মাতা মারইয়াম আ.-এর খাবার আসত সেই জান্নাত থেকেই এ বরকতময় খাবার এসেছে। একথা শুনে নবীজী খুব খুশি হলেন।

 

Please Share This Post in Your Social Media

© 2020 islamicstorybd.com