Notice :
  1. সবাইকে স্বাগতম ইসলামিক স্টরি বিডি ডটকম এ

মুমিনের পারিবারিক জীবন ও ভোগ বিলাস


[wp1s id=’1820′]বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম


পারিবারিক জীবন ও ভোগ বিলাস


পারিবারিক জীবনের সুখ-স্বাচ্ছন্দ্য কাম্য কিন্তু এ সুখ ভোগ বিলাসে পরিণত করা মানুষের স্বভাব।মানুষ বেশি বেশি পেতে চায়।অর্থনীতিতে বলে চাহিদা সীমাহীন।

রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাই সাল্লাম বলেছেন,বনী আদমের পেট মাটি ছাড়া আর কিছুতে ভরে না আল্লাহ তা’য়ালা বলেন


الهاكم التكاثر – حتى زرتم المقابر

(সম্পদের) অধিক্য তোমাদের ভুলিয়ে দিয়ে ধ্বংস করে দেয়।এমনকি তোমরা কবর পর্যন্ত পৌঁছে যাও।

(সূরা তাকাসুরঃ১-২)

মানুষ প্রথমে নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিষ এরপর আরামপ্রদ এবং তারপর বিভিন্ন বিলাস দ্রব্য সংগ্রহে ব্যস্ত হয়ে পড়ে।কারণ তার পাওয়ার শেষ নেই। আধুনিক যুগের থিউরী মোতাবেক তার জীবন যাপনের মান বাড়াতে থাকে।

দুনিয়াটাকে সে বেহেশ্ত বানিয়ে ফেলতে চায়।এক একটি পরিবারে চলে দ্রব্য সোম্ভারের সমারোহ আহরণের প্রতিযোগিতা।আর এজন্য ন্যায়-অন্যায় সৎ-অসৎ হালাল-হারাম পাওয়া না করে চলে সম্পদ আহরণের প্রতিযোগিতা।

বিলাসী জীবন যাপনের জন্য বিলাস দ্রব্যের সমারোহ ও বন্যা বয়ে যায় এক একটি পরিবারে।মুমিনের জন্য এ ধরনের বিলাসী জীবন মোটেও শোভনীয় নয় এবং কখনো সে এ ধরনের বিলাসী জীবনে মুক্ত হয়ে পড়তে পারে না।

অবশ্যই তাকে সৌন্দর্য পিয়াসী হওয়া ও আরামের জিনিস ভোগ করা দূষণীয় নয়।

আল্লাহ তা’আলা বলেন


قل من حرم زينه الله التي اخرج لعباده والطيبات من الرزق قل هي للذين امنوا في الحياه الدنيا خالصه يوم القيامه

আপনি বলুন তোমাদের জন্য আল্লাহর সে সৌন্দর্য যাকে তিনি তাঁর বান্দাদের জন্য বের করেছেন এবং রিজিকের মধ্যে পবিত্র জিনিস গুলোকে কে হারাম করলো,

বলে দিন এসব তো তাদের জন্যই যারা দুনিয়ার জীবনে ঈমান এনেছে এবং বিশেষভাবে কিয়ামতের দিনের জন্য।

(সূরা আরাফঃ৩২)

যারা দুনিয়ার জীবনে কৃচ্ছ- সাধনা করে এসব হালাল জিনিষক নিজেদের ও নিজ পরিবারের জন্য হারাম করে নিয়েছে তাদেরকে লক্ষ্য করি আল্লাহ তায়ালা,এ কথা বলে দিয়েছেন।

তাই মুমিন ব্যক্তি সৌন্দর্য ও হালাল জিনিস ভোগ করতে পারে বরং প্রকৃতপক্ষে এসব জিনিস ঈমানদারের জন্য।কিন্তু অপব্যয় ও বেহুদা খরচ নিষিদ্ধ।
আল্লাহ তা’য়ালা বলেছেন


ولا تبذر تبذيرا ان المبذرين كانوا اخوان الشياطين

“অপব্যয় করো না, নিশ্চয়ই অপব্যয়কারীরা শয়তানের ভাই।

(সূরা বানী ঈসরাইলঃ২৭)

মুমিনের দৃষ্টিআখেরাতে প্রতি।দুনিয়ার জীবনে ধন-সম্পদ আরাম-আয়েশ ও ভোগ বিলাসে মুক্ত হলেও পরিবারের চাহিদা বেড়ে যায়,অসৎ পথ অবলম্বনে নিমগ্ন হয়ে পড়ে,যাতে তার আকেরাত নষ্ট হয়।
আল্লাহ তা’য়ালা বলেন


ولا تمدن عينيك الى ما متعنا به ازواجا منهم زهره الحياه الدنيا لنفتنهم فيه ورزق ربك خير وابقى

“তাদের বিভিন্ন শ্রেণিকে আমি যে উপভোগের সামগ্রী দিয়েছি তার প্রতি আপনি চোখ তুলেও তাঁকাবে না,এসব হলো দুনিয়ার জীবনের চাকচিক্য, এতে রয়েছে তাদের পরীক্ষা আপনার রবের রিযিক উত্তম ও স্থায়ী”

(সূরা ত্বাহাঃ১৩১)

Please Share This Post in Your Social Media

© 2020 islamicstorybd.com