Notice :
  1. সবাইকে স্বাগতম ইসলামিক স্টরি বিডি ডটকম এ

যে সব কারণে রোযা ভঙ্গ হয় না


যে সব কারণে রোযা ভঙ্গ হয় না


১/ভুলে পানাহার বা স্ত্রী সহবাস করলে।( আলমগীরী-১/২০২

২/রোযাবস্থায় শরীরে ইনজেকশন বা স্যালাইন দিলে। আহসানুল ফাতাওয়া- ৪/৪৩২

৩/চোখে সুরমা বা ড্রপ দিলে। ( আ-লাতে জাদীদ -১৫৪)

৪/এন্ডোসকপি করলে। তবে শর্ত হচ্ছে এন্ডোসকপির পাইপে তেল, ঔষধ বা পানি না থাকতে হবে। (শামী-২/৩৯৭, আলমগীরী-১/২০৫)

৫/ কানে পানি ঢুকলে। (হেদায়া-১/২২০)

৬/ধোঁয়া, ময়লা,ধূলা ইত্যাদি অনিচ্ছাকৃত ভাবে গলায় প্রবেশ করলে। (আলমগীরী-১/২০৩

৭/মেসওয়কের আঁশ গলায় বা পেটে চলে গেলে ।

৮/দাঁতের ফাঁকে আটকে থাকা খাদ্য খেয়ে ফেললে যদি তা চনার বুট চেয়ে কম হয়। (আহসানুল ফাতাওয়া- ৪/৪৪৫)

৯/অনিচ্ছাকৃত মুখ ভরে বমি হলে।  ইচ্ছাকৃত বমি মুখ ভরে না হলে। (হিন্দয়া-১/২০৪, কিতাবুল ফাতাওয়া-৩/৩৯৯)

১০/স্বপ্ন দোষ হলে।( শামী-২/৩৯২)

১১/গর্ভবতী মহিলার রক্ত বের হলে।( হক্কানীয়া-৪/১৫৭)

১২/থুথুর সাথে রক্ত খেয়ে ফেললে। যদি তা থুথুর চেয়ে কম হয়। এবং রক্তের স্বাদ অনুভব না হয়।( শামী-২/৩৯৬, দারুল উলুম- ৬/৪০৯)

১৩/ রক্ত গ্রহণ , রক্তদান বা রক্ত পরীক্ষা করলে। তবে দূর্বলতার কারণে রোযা ভেঙ্গে যাওয়ার আশংকা হলে বিনা ওজরে এমন করা মাকরূহ।( কিতাবুল ফাতাওয়া-৩/৪০০)

১৪/দন্তরোগ বা অন্য কোন কারণে জাগ্রত কিংবা ঘুমন্ত অবস্থায় নিজের অজান্তে রক্ত গলার ভিতরে চলে গেলে।( শামী-২/৩৯৬, ইমদাদুল আহকাম-২/১৩৪)

১৫/পানিতে বায়ুত্যাগ করলে।( আলমগীরী-১/১৯৯, ইমদাদুল ফাতাওয়া-২/১২৭)

১৬/সন্তানকে দুধ পান করালে।( দারুল উলুম-৬/৪০৮)

১৭/টিকা দিলে।( শামী-২/১৩৭, দারুল উলুম-৬/৪০৭)

১৮/মজি, বের হলে।( আহসান-৪/৮৫১, শামী-২/৪১৭, কিতাবুল ফাতাওয়া- ৩/৩৮৫)

১৯/লবণাক্ত বা মিষ্টি পানি দ্বারা ওজু গোসল করলে।( কিতাবুল ফাতাওয়া-৩/৪০২)

২০/কুলির পর যে সামান্য পানি থুথুর সাথে লেগে থাকে তা গিলে ফেললে।( আলমগীরী-১/২০৩)

মাসআলাঃ

যৌন চিন্তা করার কারণে বা কোন বেগানা মহিলার দিকে তাকানোর ফলে বীর্যপাত হলে রোযা ভঙ্গ হবে না। তবে কু- চিন্তা ও বেগানা মহিলার দিকে তাকানো রোযার উদ্দেশ্যের বিপরীত এবং মারাত্মক গুনাহ।( শামী-২/৩৯৬, রহীমিয়া-৭/২৬২)

আল্লাহ তায়ালা আমাদেরকে এই সমস্ত কথার উপর  আমল করার তৌফিক দান করুক।  এবং পরিপূর্ণ  ভাবে রোজা রেখে আল্লাহ তাআলার   নৈকট্য হাসিল করার তৌফিক দান করুক ।

“আমিন “

আরো পড়ুন


মাসআলা: ফরয গোসল করা ব্যতীতও সাহরী খাওয়া জায়েয। তবে সময় থাকলে প্রথমে গোসল করে নেওয়া উত্তম।
[কিতাবুল ফাতাওয়া-৩/৪২৮]

মাসআলা: যদি কোন ব্যক্তির উপর গোসল ফরয হয় এবং সাহরীর সময়ও খুব কম থাকে তাহলে তার জন্য উত্তম প্রথমে সাহরী খেয়ে নেয়া অত:পর গোসল করা।
[বাদায়ে-১/১৫১, কিতাবুল ফাতাওয়া-৩/৮২৮]

Please Share This Post in Your Social Media

© 2020 islamicstorybd.com