Notice :
  1. সবাইকে স্বাগতম ইসলামিক স্টরি বিডি ডটকম এ

হুসাইন রাদিয়াল্লাহু তা’আলা আনহু কে ইমাম হোসাইন বলার রহস্য


হুসাইন রাদিয়াল্লাহু তা’আলা আনহু কে ইমাম হুসাইন

 বলার রহস্য কি


ইমাম শব্দটি এমন একটি শব্দ যা মুসলমানেরাও ব্যবহার করে থাকেন আর শিয়া সম্প্রদায় ও ব্যবহার করে থাকে তবে।

তবে উভয়ের ব্যবহারের মধ্যে অর্থের পার্থক্য রয়েছে। অর্থাৎ তাহলে কখনো ইমাম শব্দটি পথ প্রদর্শক বা দিশারী অর্থে ব্যবহার করে থাকেন।

পক্ষান্তরে এশিয়া কোন সাধারণত উক্ত অর্থে বুঝানোর জন্য ইমন শব্দটি ব্যবহার করেনা তাদের নিকট ইমাম হবেন নবীর সমতুল্য এবং তার চেয়ে বড় আলিমুল গায়েব এবং ইমাম হবেন মাসুমা নিষ্পাপ।

তাদের মতে কোন কিছুকে হালাল বা হারাম করার অধিকার ইমামের রয়েছে। সুতরাং যখন মুসলমানগন ইমাম শব্দটি ব্যবহার করেন তখন ওই অর্থই উদ্দেশ্য হবে।

যা প্রথমে উল্লেখ করা হয়েছে এ মর্মে সমস্ত আহলে হক সাহাবীগণ এবং আউলিয়া কেরাম উলামাগণ সবাই ইমাম হতে পারে।

উক্ত কারণে ইমাম আবু বক্কর সিদ্দিক ইমাম ওমর ফারুক ইমাম ওসমান ইমাম আলী ইমাম আবূ হুরাইরাহ রাদিয়াল্লাহু তা’আলা আনহু প্রথম সাহাবীগণকে ইমাম বলা যায়।

কিন্তু চিন্তার বিষয় এই যে আমরা ইমাম আবু বকর ওমর ইমাম আবু হুরাইরা রাদিয়াল্লাহু তা’আলা আনহু না বলে ইমাম শব্দটিকে। শুধুমাত্র হযরত হাসান ও হুসাইন রাদিয়াল্লাহু তা’আলা আনহু এর জন্যই নির্দিষ্ট করে রাখুন।

এবং ইমাম হাসান হোসাইন শব্দটি হযরত হাসান ও হোসাইন যুক্ত করা মুসলমানদের শরীয়তের প্রধান প্রধান হয়েছে তাই আজ পর্যন্ত মুসলমান ভুলবশত শিয়াদের ইমাম হাসান এবং ইমাম হোসাইন বলে আসছে তাই এটা সংশোধন করে

ইমাম শব্দটির পরিবর্তন অন্যান্য সাহাবীদের ন্যায় হযরত হাসান ও হযরত হুসাইন রাদিয়াল্লাহু তা’আলা আনহু বলাই উচি।

হে মোর প্রভু পাঠাও তারে সালাত এবং সালাম তোমার হাবিব শ্রেষ্ঠ সৃষ্টি মোহাম্মদ যার নাম পরিশেষে নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কিছু উপদেশ বাণী লিখে দেওয়া সমীচীন মনে হলো সেগুলো স্বতন্ত্র নাম দেওয়া হয়েছে জামি উল কারীম।

 আরো পড়ুন


হাদিস

ইন্নামাল আমালু বিন্নিয়াত

অর্থঃ- নিশ্চয়ই সকল কাজ নিয়তের উপর নির্ভরশীল।

বুখারী ও মুসলিম


অর্থাৎ নিয়ত ভাল হলে কাজটি ভালো হবে। এবং নিয়ত খারাপ হলে কাজটি খারাপ হবে।

আল্লাহ তাআলা আমাদের সকলকে এই কথা গুলোর উপর আমল করার তৌফিক দান করুক

আমিন

Please Share This Post in Your Social Media

© 2020 islamicstorybd.com